Saturday, August 11, 2012

আজ শহীদ সাংবাদিক সাগর সারওয়ার ভাই এবং শহীদ সাংবাদিক মেহেরুন রুনি আপার নির্মম হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস এবং শহীদ অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ হত্যার দুই বছর ছয় মাস। কিন্তু যে দেশে খুনিরা প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠে,সেই দেশে ............


আজ শহীদ সাংবাদিক সাগর সারওয়ার ভাই এবং শহীদ সাংবাদিক মেহেরুন রুনি আপার নির্মম হত্যাকাণ্ডের ছয় মাস পেরিয়ে গেল। কাঁদতে কাঁদতে প্রায় আড়াই বছর চলে গেল সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের শহীদ অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ হত্যার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সব উচ্চমহলই খুনিদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

আমি আজ কথা বলেছিলাম শহীদ সাংবাদিক রুনি আপার ছোট ভাই রুমান এবং শহীদ সাংবাদিক সাগর সারও
য়ার ভাইয়ের ছোটবেলার এক বন্ধুর সাথে। রুমান আমাকে জিজ্ঞাস করলেন,খুনিদের খুঁজে বের করতে আসলেই কি কোন তদন্ত হচ্ছে। তাঁর এ প্রশ্নের উত্তর কি দিব,আমি বুঝতেই পারছি না।

প্রিয় মেঘের কথা জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম এই অবুঝ এতিম ছেলেটাও নাকি মাঝে মাঝেই তাঁর মামা রুমানকে জিজ্ঞাস করে,এটিনের মালিক মাহফুয তাঁর আব্বু-আম্মুকে নিয়ে কি খারাপ কথা বলেছিল। আমি রুমান ভাইকে সান্ত্বনা দিতে পারলাম না। আমি শুধু এই কথাটা বললাম যে,আমার এক ভাই সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদকেও খুন করা হয়েছিল সিলেটে ২০১০ সালের ২১ শে মার্চ। ভাই হত্যার বিচারতো পেতে ভিখারির মতো কত মানুষের কাছে (আসলে এরা কেউ মানুষ না,এরা অমানুষ। মানুষ হলে তো কেউ খুনিদের কাছ থেকে ঘুষ নিতে পারতো না,নিহত অধ্যাপক হারুনের নিষ্পাপ চরিত্রের উপর মিথ্যা অপবাদ দিতে পারতো না,খুনিদের বাঁচাতে অপচেষ্টা করতে পারতো না) ঘুরছি। বিনিময়ে কি পেয়েছি? শুধুই অপমান,হতাশা এবং বুকফাটা কান্না!

যে দেশে খুনিরা প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠে,সেই দেশে আর যাই হোক,শহীদ অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ,শহীদ সাংবাদিক সাগর সারওয়ার ভাই এবং শহীদ সাংবাদিক মেহেরুন রুনি হত্যার বিচার পেতে আর কতদিন কত মাস কত বছর লাগবে,একমাত্র মহান আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন। 
তবে একটা কথা দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি,অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ,শহীদ সাংবাদিক সাগর সারওয়ার ভাই এবং শহীদ সাংবাদিক মেহেরুন রুনির খুনিদের যারা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, তাঁদের বিচার এই দুনিয়াতে না হলেও,মহান আল্লাহ্‌র দরবারে বিচার হবেই হবেই,ইনশাল্লাহ। কেউ কেউ পারবে না সে বিচার ঠেকাতে।

শহীদ সাংবাদিক সাগর সারওয়ার ভাই এবং শহীদ সাংবাদিক মেহেরুন রুনি আপা এবং শহীদ অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ ভাই,তোমরা ঘুমাও শান্তিতে,আমরা জেগে আছি তোমাদের হত্যার চরমতম বদলা নিতে। 





Saturday, August 4, 2012

আমি কেন দুর্নীতিবাজ হতে চাই !!!


আমি দুর্নীতিবাজ হতে চাই কেন - সেটা নিয়ে লেখা লিখছি। দয়া করে অপেক্ষা করেন, সবই জানতে পারবেন।

তবে এই লেখা যদি আমার শেষ লেখাও হয়, তাহলে বলছি- আমি না একসময় অনেক ভালো মানুষ হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। কিন্তু কিছু কাপুরুষ দুর্নীতিবাজ, কিছু অন্ধকার জগতের লোক আমাকে আঘাত করছে। মিথ্যা মামলাও দিচ্ছে। আমার অপরাধ আমি আমার প্রতিবাদের ভাষাকে কারো কাছে ইজারা দিতে পারি নাই।

তাই এখন থেকে হিসাব আলাদা। দেখা যাক। আবার আগের ভালো লাইনে ফিরে আসবো কিছু খারাপ লোকদের শিক্ষা দিয়ে, ইনশাল্লাহ।

সব প্রিয় কমরেডদের হাবিবুল্লাহ মিজানের লাল সালাম প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ। পাশে থাকবেন।

Friday, August 3, 2012

পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই,ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র, এমনকি আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএকেও ভয় পাইনা। আর তাই কিছু কাপুরুষদের ভয় পাওয়ার প্রশ্নই উঠে না


আমাকে দেখে কেউ,কেউ,কেউই আসলে বুঝতেই পারে না,মানুষের জন্য আমি আসলে কতটা বেশি ঝুঁকি নিতে পারি এবং সেটা হাঁসতে হাঁসতেই এবং নির্ভয়েই। সব কাপুরুষ লোকেরা মিলে আমাকে হত্যা করতে চেষ্টা করছে। হ্যাঁ,আমি বুঝতে পারি,আমি তাঁদের জন্য এক ভয়াবহ বাঁধা। সেই বাঁধাটাকে এই কাপুরুষগুলো হত্যা করতে চাইছে। যেমন হত্যা করেছে আমার ভাই সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের শহীদ অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদকে ইংরেজি ২০১০ সালের ২১ শে মার্চ। তাঁর অপরাধ ছিল বখাটেপনায় বাঁধা দেয়া ! অথচ তাঁকে এবং তাঁর অসহায় পরিবারকে এখনো বারবার হত্যা করা হচ্ছে তাঁর নিষ্পাপ চরিত্রের উপর মিথ্যা কলঙ্ক দিয়ে। সিলেটে চলছে বিচারের নামে এক ভয়াবহ প্রহসন। কিন্তু আমি গভিরভাবে বিশ্বাস করি,আমাকে এক কুপে কিংবা মাত্র কয়েকটা গুলিতেই খুন করা যাবে না,যাবে না। তাছাড়া আমি আমার প্যান্টের পকেটে একটা অতিরিক্ত প্রাণ নিয়েই চলাফেরা করি। কাপুরুষেরা যদি আমাকে একবার খুন করে ফেলতেই পারে,আমি তৎক্ষণাৎ আমার প্যান্টের পকেটে রাখা কিংবা কখনো আমার ডান কোমরে রাখা অতিরিক্ত প্রাণটা আমার রক্তাক্ত দেহে লাগিয়ে এই কাপুরুষদের সাথে লড়াই করে যাবো। কিন্তু সেই অতিরিক্ত প্রাণটাও যদি মরে যায়,তখন কি করবো,তাই না? আমি কি কাপুরুষদের কাছেই শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণই করবো? আগামী দিনেই সেটা দেখা যাবে,বোঝা যাবে। কিন্তু এই মুহূর্তে শুধু এই কথাটা বলতে পারি,আমি কিন্তু পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই,ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র, এমনকি আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএকেও ভয় পাইনা। আর তাই কিছু কাপুরুষদের ভয় পাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। কথাটা একদম ঠাণ্ডা মাথায়,সজ্ঞানে আমার সব ছোট-বড়- মাঝারি,খুচরা- পাইকারি,দেশি-বিদেশি,প্রকাশ্য-গোপনীয় সব শত্রুদের উদ্দেশেই লিখছি- হাবিবুল্লাহ মিজান নামের এই অতি বোকা,খুবই লিকলিকে শরীরের ছেলেটা একমাত্র তাঁর আল্লাহ্‌কেই ভয় পায়। আর কাউকেই না,কাউকেই না।

আসুন পবিত্র রোজার মাসে,বাঙালীর শোঁকের মাসে আমরা সব ধর্মের মানুষের উপর হত্যা, ধর্ষণ,নিপীড়ন নির্যাতন রুখে দাঁড়ানোর শপথ নেয়,নতুন করে এবং আজ থেকেই,এখন থেকেই। যে যেভাবে পারি। আমার প্রিয় কমরেডদেরকে লাল সালাম। নিরাপদে থাকুন,ভালো থাকুন। বিজয় আমাদেরই,ইনশাল্লাহ।

Saturday, July 28, 2012

এক সময়ের প্রিয় বিবিসি বাংলা না বুঝলে,আসুন,আমরা বাংলা মায়ের দামাল ছেলে-মেয়েরা বিবিসিকে আবার বুঝিয়ে দেয় এটা সাদা চামড়ার ব্রিটিশ সাম্রাজ্য না। এটা হৃদয়ে লেখা লাল-সবুজের বাংলাদেশ,প্রিয় জন্মভূমি............।

‎{বাংলাদেশের সদ্য প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন সোশ্যাল মিডিয়ায় নাকি তীব্রভাবে সমালোচিত হচ্ছেন লাশ দাফন বিতর্কে তাঁর কথিত ভূমিকার জন্য,(সূত্রঃ বিবিসি বাংলা,সর্বশেষ আপডেট বুধবার, 25 জুলাই,2012 16:00 GMT 22:00 বাংলাদেশ সময়)}আর তাতেই সাম্রাজ্যবাদীদের টাকাই চলা বিবিসি বাংলা চরম একতরফা এক প্রতিবেদন প্রচার করে পবিত্র পা ধরে ছালাম করার মতো আমাদের অনেক ভালো মা-বোনদের মধ্যেও (সদ্য প্রয়াত মেধাবী লেখক হুমায়ূন আহমেদের মেয়ে শিলার বান্ধবী থেকে হঠাৎ করেই তাঁরই বাবার দুই নাম্বার(!!!!) স্ত্রী বনে যাওয়া মেহের আফরোজ শাওনদের মতো না) ফালতো পুরুষ বিদ্বেষ উসকে দিচ্ছে বলে মনে হয়। তাই সাদা চামড়ার বিবিসি বাংলাকে বলছি- দেখেন মিস্টার,এটা কিন্তু মীরজাফরদের সেই ১৭৫৭ সাল না। পলাশীর সাময়িক পরাজয়ের পরে আমাদের স্বাধীনতার দেওয়ার নামে আপনারা চুতুর ব্রিটিশররা ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছেন আমাদের বাপ-দাদার সেই এক বিশাল বড় মহাদেশ ভারতকে। কি করলেন আপনার? মুসলমানদের পাকিস্তান,হিন্দুদের ভারত,তাই না, মিস্টার? তারপররেও এই বাংলা মায়ের বীর ছেলে-মেয়েদের রক্তে লেখা হয়েছে অগ্নিজরা আমাদের সেই পবিত্র ১৯৫২,১৯৬২,১৯৬৯ এবং মহান ১৯৭১।তাঁরা ছিনিয়ে এনেছেন বিজয়ের ১৯৯০। বাংলার মানুষ এখন অনেক সচেতন। কমপক্ষে বাংলার মানুষ এখন বিবিসির চেয়ে অনেক চালাক হয়েছেন। আর এটা আমার এক সময়ের প্রিয় বিবিসি বাংলা না বুঝলে,আসুন,আমরা বাংলা মায়ের দামাল ছেলে-মেয়েরা বিবিসিকে আবার বুঝিয়ে দেয় এটা সাদা চামড়ার ব্রিটিশ সাম্রাজ্য না। এটা হৃদয়ে লেখা লাল-সবুজের বাংলাদেশ,প্রিয় জন্মভূমি............। সব দালালেরা নিপাত যাক। মেহনতি মানুষের পক্ষে সব কমরেডের হাবিবুল্লা মিজানের লাল সালাম। শহীদ অধ্যাপক হারুন,শহীদ সাংবাদিক সাগর এবং শহীদ সাংবাদিক রুনিসহ সকল হত্যা,জুলুমের বিচারের জন্য আমি লড়ে যাব,শেষ পর্যন্ত,ইনশাল্লাহ। ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে শহীদ মোহনলাল আমাকে এটাই শিখিয়েছেন।

Thursday, July 19, 2012

শহীদ প্রফেসর হারুনের খুনিরা এবং তাঁদের আশ্রয়দাতারা প্রধান মন্ত্রীর চেয়েও বেশি শক্তিশালী!

হ্যালো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!!! হ্যালো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!!!হ্যালো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!!!


শহীদ অধ্যাপক হারুনের পরিবারের,বিশেষ করে তাঁর বিধবা স্ত্রী এবং তাঁর দুই এতিম সন্তানদের কান্না কি কোনদিনই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কানে পৌঁছবে না? তাহলে কি শহীদ প্রফেসর হারুনের খুনিরা এবং তাঁদের আশ্রয়দাতারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বেশি শক্তিশালী? আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উত্তরের অপেক্ষায় আছি। কারন আমরা গতকাল বিকেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুঠো ফোনে বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছি। ইনশাল্লাহ,শেষ পর্যন্ত আমরা লড়াই করে যাবো। সবার আশীর্বাদ ভিক্ষা চাইছি। পরিবারের পক্ষে- হাবিবুল্লাহ মিজান। (শহীদ প্রফেসর হারুনের ভাই, এবং গণমাধ্যম কর্মী,ঢাকা,বাংলাদেশ।

Tuesday, July 17, 2012

গণভবন না কড়া ভবন!!!


গণভবন না কড়া ভবন!!!

নামটা শুনলে মনে হয় যেন এমন একটি ভবন যেখানে যখন তখন যে কোন মানুষ,মানে গন-মানুষ যেতে পারেন। কিন্তু না। যেখানে যেতে হলে আপনাকে কিছু বিরক্তিকর ঝামেলা পোহাতেই হবে যদি না আপনি হন ভিভিআইপিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত বিশেষ বাহিনীর সদস্য। আমরা যারা সাংবাদিকতা করি তাঁদের বাধ্য হয়েই সেখানে যেতে হয়,বিশেষ করে পরাধীন এবং গোলামীর চাকরিটা বাঁচাতে। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সেখানে গেলাম। দেখলাম আমার সহকর্মী সিনিয়র সাংবাদিক শামিম ভাই বসে আছেন। আমি তাঁর সাথে সাংবাদিকতার বাইরের কিছু  বিষয় নিয়ে যেমন আমার রোগ-শোঁক নিয়ে কিছু পরামর্শ নিচ্ছিলাম। এরপর দেখলাম আসলেন কানাই দা। সেখানে দেখা হয়ে গেল ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ে আমার প্রিয় দুই ছোট ভাই বাদশা এবং নাজমুলের সাথে। বাদশার মাথায় আদর করে হাত বুলিয়ে দিলাম। অনেকে আমার কাছে বলেছে যে বেচারার নাকি মন-মানসিকতা অনেক ছাত্রলীগ নেতার চেয়ে  অনেক অনেক গুণ ভাল। কিন্তু বয়সের ফাঁদে পড়ে তাঁর প্রাপ্য পদটাও পেল না। নাজমুলকে জিজ্ঞাস করলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আজকে ছাত্রলীগ নেতা খুনের পর কি অ্যাকশন নিচ্ছে। শিবির নিয়েও কিছু কথা হল। এরমধ্যে অনেক সাংবাদিক সহকর্মীরা এসে পড়লো। সময় এগিয়ে আসছে বলে আমরা নিরাপত্তা পাস নিয়ে ঢুকতে গেলাম। পরপর দুইটি আর্চওয়ে পার করে,মানে নিরাপতা চেকিং করার শেষ পর্যায়ে আমার হাতে থাকা মিনি অডিও রেকর্ডার নিয়ে বার বার পরীক্ষা করছিলো পুলিশের বিশেষ শাখার এক সদস্য। আমি খুব বিরক্ত হচ্ছিলাম। ভাবছিলাম এ কেমন গোয়েন্দা সদস্য যে সাংবাদিকদের মিনি রেকর্ডার চিনতে পারে না। আমার খুব হাসিও পাচ্ছিলো। কারন আমার এই মিনি অডিও রেকর্ডার নিয়ে তাঁকে খুব চিন্তিত দেখাচ্ছিল। হয়তো তাঁর আবার ভয়ও হচ্ছিলো যে বেটা সাংবাদিক,কি না কি লেখে দেয় যদি সাংবাদিকদের সাথে বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলে। আমি তাঁর সাথে হেসে হেসে কথা বলতে থাকায় সে পরে আমাকে বলে ফেললো - প্লীজ,আমাকে এটা একটো  অন-অফ করে দেখাবেন? আমি দেখালাম। পরে আমার সে একই নিরাপত্তা চেকিং। দামি আর্চওয়ের সাথে বাড়তি যোগ হচ্ছে কালো পোশাকদারী র‍্যাব এবং তাঁদের অতিদামি বিদেশী ড্রগ স্কোয়াড। সেখান থেকে পায়ে হেটে হেটে গণভবনের মুল গেটে এসে আবার সে নিরাপত্তা চেকিং। 


যাক,এভাবেই চলে আসলাম সেই রুমে। আমি কিছু পাপীদেরও দেখলাম। দেখলাম কিছু হাইব্রিড নেতাদের। অনেকে এমনকি আমার অনেক সাংবাদিক সহকর্মীরাও  কেন যেন  এই সব নেতা-পাতি নেতারা পাশ দিয়ে গেলেই উঠে দাড়িয়ে সম্মান জানালেন। আমার আবার এই সব অভ্যাস কম। তাই যখন একমাত্র আপা আসলেন তখনই আমি অন্যান্যদের সাথে দাড়িয়ে সম্মান জানালাম। কিছু কষ্টও পেলাম কিছু কারনে। চা চেয়ে না পেয়ে আরেকটো বাড়তি অভিমান নিয়ে চলে আসলাম। অফিসে আসার আগে গাজী তরুণ ভাইয়ের অফিসে আমার এক ছোট ভাই সূফী সম্রাট খ্যাত কণ্ঠ শিল্পী পারভেজের সাথে একটা আলাপে অংশ নিয়ে আলাপের ফাকে ফাকে কম্পিউটারে বসে খবর লিখে পাঠালাম অফিসে। কোন নোট না দেখে এবং ভয়েস রেকর্ডা না শুনেই। মোটামুটি যা মনে ছিল তাই লিখলাম।

জানিনা কালকে চাকরীটা থাকবে কি না। দেখা যাক।কথায় আছে না, বাঁচায় আল্লাহ্‌, মারে কে, তাই না।      

Monday, July 16, 2012

এক দফা,এক দাবি,বুয়েটের মিথ্যাবাদী ভিসি-প্রো-ভিসি তোরা কবে যাবি???

এক দফা,এক দাবি,বুয়েটের মিথ্যাবাদী ভিসি-প্রো-ভিসি তোরা কবে যাবি???
এক দফা,এক দাবি,বুয়েটের মিথ্যাবাদী ভিসি,প্রো-ভিসি তোরা কবে যাবি???
এক দফা,এক দাবি বুয়েটের মিথ্যাবাদী ভিসি,প্রো-ভিসি তোরা কবে যাবি???

কারন তোরা তো শিক্ষক না,শিক্ষক নামদারী ভণ্ড শিক্ষিত শয়তান। তোরা শুধু নিজেদের স্বার্থেই হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছিস। তোরাই তো নব্য খন্দকার মোশতাক। কারন তোরা নিজেদের পিঠের চামড়া বাঁচাতে এবং ক্ষমতার মজা লুটতে সত্যিকারের অনেক বঙ্গবন্ধু প্রেমিকদের বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ও মিথ্যা অপবাদ দিয়ে যাচ্ছিস। আরে শয়তান বেটারা, শুন,শুন,আন্দোলনকারী শিক্ষক- শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীদের তোরা যতবারই জঙ্গি বলবি,আমরা দেশের সাধারণ জনগন তাদেরকে আমাদের প্রানপ্রিয় কমরেড বলবো। তোরা আন্দোলনকারীদের যতবারই মিথ্যা অপবাদ দিবি,আমরা আন্দোলনকারী শিক্ষক- শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীদেরকে আমরা ততবারই প্রিয় বীর বাঙালী বলবো,এবার বুঝলিতো??? তাহলে এখন থেকে শুরু করা যাক,কি বলেন বন্ধুরা?

আসুন,সবাই বলি- বাঁচাও বুয়েট,বাঁচাও দেশ,বাঁচাও সারা বাংলাদেশ।