Wednesday, July 4, 2012
Thursday, April 19, 2012
দূর থেকে দেখা ভালো পুলিশের একটা ভালো নায়ককে একজন সাংবাদিকের চিঠি না, চিঠিটা একজন ভাল সাংঘাতিকের লেখা চিঠি। তাকে লিখেও কেন যেন আবার ফিরেয়ে নিলো সেই এক সৌখিন শিক্ষানবিশ সাংবাদিক। এক হাবিবুল্লাহ মিজানের গল্প এখানেই শুরু!
অগ্রিম দুঃখিত এবং
ক্ষমাপ্রার্থী আমার কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক শব্দমালায় যদি কেউ বিন্দু মাত্র আঘাতও পেয়ে
থাকেন। আসলে আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন
কিছু বর্বর সিলেটীদের হাতে একবার না,দু, দু'বার করে খুন হওয়ার পর আসলে আমার অসহায় পরিবার সিলেট বা সিলেটী নামটা শুনলেই তাদের
ইচ্ছে হয় আজই এবং এখনই ...............। তখন সিলেটী অনেক
অনেক ভালো মরমী গানও আমাদের কাছে একদম ভোতা হয়ে যায়। তবে আপনার কথায় (নাকি কবিতায়, জানি না
) অন্যভাবে আমার হারানো
সেই কাজল -কালো লতা,লতা,লতার কথা একটু বেশিই মনে পড়ে গেল। যাক,আমার নিজের জীবনের কিছু ভুলের কথা,কিছু পাপের কথা আপনাকে
জানাবোই,ইনশাল্লাহ,যদি আপনার সাথে কোনদিন দেখা হয়,তবে সাংঘাতিক (আমি ইদানিং নিজেকে আর সাংবাদিক দাবি করি না) হিসাবে না। আপনি ভালো পুলিশ প্রধান,
আর আমি খারাপ পাপী
হিসাবে। তখন হয়তো বঝবেন কিভাবে একটি ভালো জীবন,কেন একটি ভালো স্বপ্ন নষ্টও হয়ে যায় তিলে, তিলে। আমি প্রতিদিন প্রতিক্ষণ দোয়া করি,আপনি আগামী দিনের খুব ভালো পুলিশের নায়ক হোন। আপনি আমার চেয়েও অনেক অনেক ভালো করে
জানেন যে,খারাপ পুলিশের প্রধান হওয়া যায়,
কিছুটা সহজেই। কিন্তু ভালো
পুলিশের নায়ক অনেক কঠিন বটেই। আমিও জানি ভালো সাংবাদিকের নায়ক কেউ কাউকে বানাতে
পারে না। এগুলো নিজে নিজে কঠিন সংগ্রাম করেই
হতে হয়। তখন আমার মত আর কাউকেই ভাই হত্যার
বিচার পেতে এত এত খারাপ ক্ষমতার রাজনীতি করা লাগবে না। আমি পাপী সেদিন নিজেই নিজের হাতে কড়া
বেধে আদালতে না,
কোন ভালো পুলিশ
প্রধানের কাছেই যাব। ভাবুন তো,সেই নতুন শান্তির দিনে কথা, আমি আপনার
কাছে গিয়েই আত্মসমর্পণ করছি। আমি আমারই
ক্রস-ফায়ার চাইছি। সেই দিন আমি নিজে
নিজেরই ক্রস-ফায়ার নিজেই দাবি করবো, আসলেই। কারন আমিও তো
কিছু পাপ করেছি,
তাই না? হোক না সেটা আমার হারানো লতাকে ভুলতে। কেউ জানুক বা নাই
জানুক, মিজানের বিবেক তো জানেই আমি মিজানও অনেক
পাপী । নিজেকে মহৎ হিসাবে জাহির করার জন্য না, একদমই না,আমি আন্তরিকভাবেই একদিন আসবো, আপনার
কাছে,আপনার পবিত্র পায়ে একবার হাত দিতে। কারন আপনি একদিন আমাকে দূর থেকেই আমার একটা ভালো,সুন্দর এবং পবিত্র সংগ্রামে অনেক অনেক অবদান রেখেছেন।আর দেশে কি আলামত দেখছি? তাতে তো ভয় হচ্ছে! ভালো থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন, সতর্কভাবে থাকবেন। আর পারলে এই
পাপীটার জন্য একটু আশীর্বাদ করবেন। আমি মনে হয়
সাংবাদিকতা ছেড়ে কিছুদিনের জন্য আমার পড়ালেখার টেবিলে ফিরে যাচ্ছি। কারন চাঁদাবাজি করতে মিজানের
সাংবাদিকের কার্ড লাগে না। মিজান
সাংবাদিকতার আসলে ভালো পেশাকে জনগনের কাছে সবচেয়ে খারাপ পেশা
বানাতে চায় না,আসলেই না, কোনভাবেই না।
Wednesday, April 18, 2012
ইনশাল্লাহ । আর তাই আমি আমার কর্মীদের আমি অভয় দিয়ে একটা কথা প্রায়ই বলে থাকি, সেটা হল আমি নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে লড়তে যাওয়ার আগেই আমাকে হয়তো কমপক্ষে চার-পাঁচটি হত্যা মামলার আসামি হতে হবে।
আমি গত কয়েক মাস ধরেই আমার শরীরটা ভীষণ খারাপ যাচ্ছে। কিন্তু আমার জীবনের প্রতি আমার নিজের এক ধরনের নির্মম অভিমানের কারনেই আমি আমার শরীরের একটু যত্ন ইচ্ছা করেই নেয় নি। অফিসে শারীরিক কারন দেখিয়ে আমি গত প্রায় দুই মাস ধরে সাংবাদিকতা থেকেও স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়েছি। এত কিছুর পরেও আমার অনেকগুলো খুবই খারাপ স্বভাব এখনো আছে, তার একটা হল আমি গায়ে পড়ে অনেক বড় বড় প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলি। তাঁরা অনেক অনেক ক্ষমতাশালী। কেউ কেউ নাকি আমাকে মেরেও ফেলতে চাইছে। তাঁদের কথা মনে পড়লে আমার আসলেই খুবই হাসি পায়, আবার তাঁদের জন্য মায়াও লাগে। আরে বেটা কাপুরুষরা,তোরা কি আমার মহান আল্লাহ্র চেয়েও বেশি শক্তিশালী? যদি না হয়,তাহলে আমি তোদেরকে ভয়ের কোন কারনই নেই। আর মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবি? আরে বেটা রাম ছাগল,যদি আমার পরিবার আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার না পায়,তাহলে আমি নিশ্চিতভাবেই আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একজন গরীব প্রার্থী হিসাবে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবই, যাব, ইনশাল্লাহ । আর তাই আমি আমার কর্মীদের আমি অভয় দিয়ে একটা কথা প্রায়ই বলে থাকি, সেটা হল আমি নির্বাচনে চূড়ান্তভাবে লড়তে যাওয়ার আগেই আমাকে হয়তো কমপক্ষে চার-পাঁচটি হত্যা মামলার আসামি হতে হবে। আরে মিয়া সাহেব,ক্ষমতার পচা রাজনীতি যদি মিজানকে করতেই হয়,তাহলে কিন্তু আমি কাউকেই এক পয়সার করও দিতে যাব না। অন্যরা (সব অসৎ লোকরা) আমাকেই যিযিয়া কর দিবে,ইনশাল্লাহ। তবে আমি আবারো বলছি, আন্তরিকভাবেই বলছি,আমি রাজনীতির সেই বাকা পথে আর হাটতে চাই না,একদমই না। আমি চাই আমার চারপাশের সব নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধ হয়ে যাক। আমিও সাংবাদিকতা পেশায় থেকেই যতটুক পারি নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকতে চাই। দেখা যাক, সময় কি বলে,আমার কাছে কোনটা বেশি শক্তিশালী হয়,অসি না মসি। আজকে আমার এ লেখাটা তাঁদের জন্য লেখা, যারা আমার বন্ধুবেশে আছে ঠিকই কিন্তু তাঁরা আসলে আমার ভয়ংকরতম শক্রু। সবাই বলেন যে,শক্রুদের নাকি বেশি খাটো করে দেখতে নেই। তবে ঐ কাপুরুষদেরকে আমি খুব বড় করে দেখতেও শিখেনি। তাই নিরাপদ জীবন চাইনি, বুঝে শুনেই জীবনকে আমি দিন দিন অনিরাপদ অতীতেও করেছি, এখনো করছি এবং আগামী দিনগুলোতেও করব। ঝুকি নেয়া আসলেই আমার খুব খুব পছন্দ। তাই আমি আজও স্বপ্ন দেখি একটি শান্তিপূর্ণ সাহসী বিপ্লবের এবং সেটা আমার দেহের রক্তের বিনিময়ে হলেও। আমি আগেই বলেছি,আমি নাস্তিক না,আমি বিশ্বাসে আস্তিকই। তাই শক্তি ও সাহস ভিক্ষা চাইছি একমাত্র আমার মহান আল্লাহ্র,একমাত্র মহান আল্লাহ্র, আবারো বলছি একমাত্র মহান আল্লাহ্র কাছেই।
হাবিবুল্লাহ মিজান
রাজনীতিক ও গন-মাধ্যম কর্মী
১৮-০৪-২০১২, ঢাকা, বাংলাদেশ।
এক বেয়াদব ইঞ্জিনিয়ার বেটাকে দিলাম এক কড়া ধমক
হাবিবুল্লাহ মিজান
রাজনীতিক ও গন-মাধ্যম কর্মী
১৮-০৪-২০১২, ঢাকা, বাংলাদেশ।
এক বেয়াদব ইঞ্জিনিয়ার বেটাকে দিলাম এক কড়া ধমক
Wednesday, April 11, 2012
আমি হাবিবুল্লাহ মিজান, বাংলাদেশ থেকে বলছি,হাবিবুল্লাহ মিজান লড়াই করে, দালালী করে না
Thank you very much. সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এই অনুষ্ঠানটা ‘মোটামুটি’ (সম্পূর্ণ না) সুন্দর ভাবে শেষ করার জন্য। কারন এর আগে এখানে অনেক অনুষ্ঠান হয়েছে, কোন অনুষ্ঠানেই কোন সমস্যা হয়নি। আর এই জন্য আজকে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ বললাম। Ok,fine.
আরো বিশ মিনিট নাচ চলবে, নাচবে প্রিন্সেস লাকি, প্রিন্সেস রানী এবং প্রিন্সেস সাথী।
বন্ধুরা, নাচ শুরুর আগে আমি কেন এখানে আপনাদের নিয়ে এসেছি সে বিষয়ে ঠিক দু'টা কথা বলব। ফাইভ মিনিট, ফাইভ মিনিট, ফাইভ মিনিট,ঠিক পাঁচ মিনিট।
প্রথমেই শুনতে হবে আমি কি বলি। আমি খারাপ বললেও বলতে হবে যে- ভাই আপনি খারাপ বলেছেন। আর ভালো বললেও হাততালি দেওয়ার দরকার নেই। মাথাই রাখবেন, কানে শুনবেন,OK?
এই গ্রামের নাম বাছট, মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার খুবই দরিদ্র একটা গ্রাম। আমার নাম হাবিবুল্লাহ মিজান। এখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ে একটু একটু পড়ি। একসময় ছাত্র রাজনীতি করতাম। এখন একটু একটু সাংবাদিকতা করি। আমার একটা ভাই,পাশাপাশি ঘর, তাঁর নাম শহীদ অধ্যাপক হারুন- অর- রশিদ। আপনারা এ মঞ্চের পাশে দাড়িয়ে অনেক হাশি-উল্লাস করছেন, অনেক কিছুই করছেন। আমার ঘনিষ্ঠ লোকজন আমাকে জিজ্ঞাস করেছে, আমার মনটা আজ খারাপ কি না। হ্যাঁ, আমার মনটা কিছুটা হলেও খারাপ। ঠিক এই মঞ্চেইর পাশেই যে যায়গাটা সেখানে আমার ভাইকে শেষবারের মত জানাজা পড়ানো হয়েছিল । সেদিন আমি সেখানে কিছু কথাও বলেছিলাম। আমি বলেছিলাম, আমি খুবই দুর্বল একজন মানুষ। আমার কোন ক্ষমতা নেই, কোন সামর্থ্য নেই, কারো সাথেই কোন পরিচয়ও নেই। লিকলিকে একটা শরীর। যারা সাংবাদিকতা করেন, তারা আমাকে মোটামুটি এই বলে চেনেন যে, আমি নাকি খুব গাউরা সাংবাদিক। সাংবাদিকতার সুবাদে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দুঃখী কন্যা, আমি আওয়ামী লীগ করিনা, আমি বিএনপিও করিনা। But I respect Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, Father of the Nation. তাঁর মেয়ের বাসায় সাংবাদিক হিসাবে দু'একদিন যাই। সেখানে সবাই দালালী করেন, অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। আমি ছেরা স্যান্ডেল পড়ি, ধার-দেনা করে চলি। প্রধানমন্ত্রীর বাসায় যারা যাঙ,তাঁরা অনেকে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। আমি কিন্তু খুবই গরীব। আমার কোন সামর্থ্য নেই। এই যে আজকের অনুষ্ঠান সেটা আমার কিছু বড় ভাই, বন্ধুবান্দব আমাকে সাহায্য করেছেন বলে সম্ভব হয়েছে। তাঁরা আমাকে দোয়া করেছেন বলে আমি এটা করতে পেরেছি। কোন problem নাই।
যে কারনে আজকে আপনাদের এখানে ডাকা। আমার একজন ভাই, প্রফেসর হারুন- অর- রশিদ, যাকে ২০১০ সালের ২১ শে মার্চ বর্বর সিলেটের কিছু বর্বর, পাষাণ জানোয়াররা নির্মমভাবে হত্যা করেছে প্রকাশ্য দিবালোকে।
আমি সিলেটবাসীকে আপনাদের মাধ্যমে স্পষ্টকরে বলে দিতে চাই, সিলেটের মানুষকে আমি সম্মান করি, respect করি। But I want take a revenge against the BLOODY KILLERS who had killed my brother.
এই ক্ষেত্রে আমি আইনের প্রতি বিশ্বাস করি। আমি চাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হতভাগী কন্যা তাঁর সরকারের এই দুই বছরের মধ্যে এই হত্যার বিচার করবে। তিনি জানেন পিতাহারা, মাতাহারা মানুষের কি দুঃখ, কি বেদনা। আমি,আপনি কি জানি?
আমি বিশ্বাস করি, এই সরকার আগামী দু'বছরের মধ্যে শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার হবে, হবে,হবে। আর যদি বিচার না হয়,তাহলে যে মঞ্চে দাড়িয়ে আমি আমার ভাইকে শেষ জানাজা দিয়েছিলাম আজ সেইখানে দাড়িয়ে বলছি, থাকতে পারে এখানে পুলিশের লোক, গোয়েন্দা সংস্থার লোক, ডিজিএফআইয়ের লোক। But I don’t care, my name is Mizan. আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আগামি দুই বছরের মধ্যে যদি শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার না হয়, তাহলে আমি এই বাছট গ্রাম থেকে যে প্রতিশোধের আগুন ছুড়িয়ে দিবো তাতে সিলেটের ঐ খুনিদেরকে। সে যেই হোক। আপনারা আমার পাশে থাকবেন?শেষ যে কথাটা, যে কারনে, বিশেষ করে আপনারা,মঞ্চের পিছনের দিকে ব্যানারে লেখা রয়েছে- বাঁচাও নদী, বাঁচাও দেশ, বাঁচাও সারা বাংলাদেশ। আপনাদের পাশে এসময় কুলকুলকরে বয়ে গেছে গাজীখালী নদী। বিভিন্ন কারনে সে নদীটি মরে গেছে। নদীটি আজ আর নদী নেই। বছরে মাত্র এক মাস সেখানে পানি থাকে। বাকি সারা বছর পানি থাকেই না। অথচ আপনাদের বাপ-দাদাকে জিজ্ঞাস করেন, সেখানে একসময় পাল তোলা নৌকা যেত, লঞ্চ, ষ্টীমার চলত। অনেক কিছুই চলত, সেটা আমিও দেখেছি। আপনারা সবাই থাকলে আমরা আবার সেই নদীটিকে বাঁচাতে পারব। জানি, হয়তো আগের মত সেই নদীকে ফিরে পাব না। কিন্তু বছরে অন্তত নয় মাস, আট মাস, সাত মাস যাতে পানি থাকে সেটা করা যাবে। আমি চাই আপনারা আমার ভাই হত্যার বিচারে আমার পাশো থাকবেন এবং আপনাকে বাঁচাতে, আপনার বন্ধুদেরকে বাঁচাতে এই নদীটিকে বাঁচাতে হবে। আমি চাই, আপনার ভবিষ্যৎ বংশধরদের বাঁচাতে এই নদী বাঁচাও আন্দোলনের পাশে থাকবেন। আমার সাথে অনেকের সাথে যারা এই নদীটিকে ধ্বংসের পিছনে কিছুটা হলেও দায়ী তাঁদের অনেকের সাথে আমার ব্যাক্তিগত ভালো সম্পর্ক থাকতে পারে। হতে পারে কেউ কেউ আমার আত্মীয়। তবে আমি আমার বিবেককে সাক্ষী রেখে বলতে চাই- আমি নদীটিকে বাঁচাতে চাই। I don’t want to make any compromise with you. আমি বারবার বলছি, আমি আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন হত্যার বিচার চাই, যে করেই হোক। আমি নদীটিকে বাঁচাতে চাই। পরিশেষে,আমি আমার ভাই শহীদ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদের বিদেহী আত্মার প্রতি আমার সর্বোচ সম্মান এবং তাঁর এতিম ছেলে আরহাম, এতিম মেয়ে লুব্ধক এবং তাঁর বিধব স্ত্রী আফরোজা ভাবী, তাঁদের নিরাপদ, সুন্দর এবং disturb-less জীবন কামনা করি। আমি সবাইকে সাক্ষী রেখে বলছি- I want to dedidate my life for you. আমার বক্তব্যের পরেই রাত বারোটা পর্যন্ত নাচ চলবে,নাচবে আরো বিশ মিনিট। নাচ চলবে। নাচবে প্রিন্সেস লাকি, প্রিন্সেস রানী এবং প্রিন্সেস সাথী, যাকে আমি খুব পছন্দ করি। আমি বলে দিয়েছিলাম She must come. প্রিন্সেস সাথী এসেছে। এরপর গান গাইবে শিশির,সে রেডিও-টেলিভিশনে গান গায়। সে আমার নদী বাঁচাও আন্দোলনের সাথে প্রথম থেকেই আমার সাথে আছে। সে এই গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে একটি গান লিখেছে।এই গানটি সে তাঁর নিজের টাকাইয় কম্পোজ করবে প্রায় এক লক্ষ টাকা খরচ করে। সে যে আজ এখানে এসেছে গান গাইতে এর জন্য তাঁকে কোন টাকা দিতে হবে না। বরং সেই আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। তাছাড়া আমাকে আরও অনেকে সাহায্য করেছে, বিশেষ করে চঞ্চল ভাই, দূর থেকে, চঞ্চল ভাই আপনাকে লাল সালাম। আমি আমার কথার দ্বারা কিংবা আমার কোন আচরণের কারনে যদি কেউ কোন কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি ক্ষমা প্রার্থী, I beg your pardon. OK, আপনারা অনুষ্ঠান উপভোগ করুন। তাহলে আজ রাতে এখানেই আপনাদের কাছ থেকে বিদায়। Thank you very much. আবার দেখা হবে কোন এক দিন। OK, good luck.
Sunday, March 11, 2012
আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে
আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে এই নতুন গানটাই আগামী ২৬’শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রথম বারের মতো গাইবে আমারই প্রিয় ছোট ভাই, উদীয়মান সংগীত শিল্পী, কবি, গীতিকার, আরও কত গুণের অধিকারী,খুবই মিষ্টি মুখের শিশির। সে টেলিভিশন ও রেডিওতে গান গাই। কিন্ত সেই দিন সে গাইবে যে প্রিয় গাজীখালী নদী বয়ে চলেছিল ঠিক আমাদের নিজেদের বাড়ির নিজের ঘরের একদম পাশ গেশেই, সেই প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে। আমাদের কত গল্পই না মিশে আছে এই প্রিয় গাজী খালীর নদীর বাকে বাকে। কখনো আবার ঢেউয়ের সাথে। আমি এটাকে বাঁচাতে চাই। আমার জীবন দিতেও রাজি। তাই বন্ধুরা, মারা গেলে বুঝে নিবেন, আমার এলাকার কিছু নদী খেকোদের সাথে আমি সাময়িক ভাব জমিয়েছি অন্য সব নদী খেকোদের ধরতে, কালো হাত ভেঙ্গে দিতে। কসম আল্লাহ্র! এটা সাময়িক আমার এলাকাগত কিছু রাজনীতিক কারনে। আসলে আর কিছু না। আর আরোপিত কর? সেটাতো নদী খেকোদেরই দাঁত চিরতরে ভেঙ্গে দেয়ার কাজেই প্রথম খরচ করা হবে, কথা দিলাম। ইনশাল্লাহ,দেখা হবে আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের গেঁয়ো আয়োজনে। সে দিন সবার সব প্রশ্নেরই উত্তর আমি দিবো। ‘প্রিয় কমরেড’,সবাইকে নিমন্ত্রণ।।।
গানের নাম-আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে
১১-০৩-২০১২
(মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজী খালি
ধ্বংসের কালো হাতে ছেয়ে গেছে দেখো
অন্য নদীর মতোই।
মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী
যে নদীর বুকে চলে উজান-ভাটি
সেই নদীই আজ করে কান্না-কাটি
এখনই সময় আসুন আপন নদী বাঁচাই
নদী বাঁচলেই বাঁচবে দেশ
বাঁচবো সবাই।
মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী )
সবাইকে সংগ্রামী লাল সালাম।
গানের নাম-আমাদের প্রিয় গাজীখালী নদীকে বাঁচাতে
১১-০৩-২০১২
(মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজী খালি
ধ্বংসের কালো হাতে ছেয়ে গেছে দেখো
অন্য নদীর মতোই।
মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী
যে নদীর বুকে চলে উজান-ভাটি
সেই নদীই আজ করে কান্না-কাটি
এখনই সময় আসুন আপন নদী বাঁচাই
নদী বাঁচলেই বাঁচবে দেশ
বাঁচবো সবাই।
মাতার রূপে নদী খানি
নদীটির নাম গাজীখালী )
সবাইকে সংগ্রামী লাল সালাম।
Thursday, December 23, 2010
YOU may harass me but YOU cannot defeat me
I am ready to fight because still I dare to dream. It may be my last note because a group of intelligence are reportedly trying to interrogate me following some remarks of the veteran freedom fighter Bangabir Kader Siddiqui, Bir Uttam on December 15 this year.
My news paper office ordered me to take his interview on December 14 . I failed to meet him at Tangail but coming back from his own town, I successfully took his exclusive interview about war crimes trial issue and some other related current issues at his Mohmmadpur residence on the morning of December 15.
I have both audio and video recording about his remarks . Let’s see what NEXT!!!!!!!
Habibullah Mizan
Reporter, The Daily Independent, Dhaka, Bangladesh
Cell: +008801713171385,01675599609
I am ready to fight because still I dare to dream. It may be my last note because a group of intelligence are reportedly trying to interrogate me following some remarks of the veteran freedom fighter Bangabir Kader Siddiqui, Bir Uttam on December 15 this year.
My news paper office ordered me to take his interview on December 14 . I failed to meet him at Tangail but coming back from his own town, I successfully took his exclusive interview about war crimes trial issue and some other related current issues at his Mohmmadpur residence on the morning of December 15.
I have both audio and video recording about his remarks . Let’s see what NEXT!!!!!!!
Habibullah Mizan
Reporter, The Daily Independent, Dhaka, Bangladesh
Cell: +008801713171385,01675599609
Friday, October 29, 2010
Justice at large, widow hits Facebook for help 6 months after her professor husband was killed in Sylhet, woman, now based near Dhaka, seeks justic

By Habibullah Mizan, The Daily Independent
DHAKA, Oct 14: Six months after her husband was killed, and with the authorities yet to “punish his killers”, a Sylhet widow is pinning her hopes on the Web world to help get justice. For almost four months now, Afroza Harun, wife of slain professor Harun-Or-Rashid, chairman of the Philosophy Department of Sylhet Government Mohila College, is seeking help by writing messages on the social networking site Facebook.
Here’s a sample: ‘’Today is the birthday of my only daughter. Her father was killed. Who will wish her now? Almighty, punish the killers of my husband… No one helps us get justice.’’
And this: ‘’The society is going rotten by the day; the consciousness of the people have about to destroyed (and) no one dares to protest even when an honest young professor of a government college gets killed in board daylight. And those who protest are doing it as eyewash only. No one cares how a helpless family is passing its days.’’
Harun-Or-Rashid was killed near his house on March 21 this year — incidentally, the month of their 18th wedding anniversary. Afroza now lives in a rented house near Dhaka city, but requested The Independent against disclosing the address or location due to reasons of security.
Talking to The Independent over telephone, she said, “I have lost everything. So many people, including ministers and eminent personalities, had assured me of all cooperation and help for my family in various ways but they did not keep their words. Even my close relatives do not bother to contact me; not even by calling up.”
Asked how and why she went on the social networking site in her mission to seek justice for her slain husband, Arfoza said, “One of my brothers-in-law taught me how to use Facebook. I already have more than 4,000 friends on Facebook — many of them are renowned journalists, several are student leaders, and some are law enforcement officers.
“There are others who work with senior government offices. And I believe hearing my appeal for justice, they will definitely help me ensure exemplary punishment to those who murdered my husband and their patrons.”
She claimed she did not receive any monetary aid from the government and is in deep financial crisis at present.
“I believe the killer (prime suspect Abdul Latif) is yet to be arrested because he has the power of money backing him. I met with the then Inspector General of Police at the Police Headquarters on July 6 and he ordered the local police either to immediately arrest or to send details about the prime accused so that they can request the Interpol to issue a global arrest warrant against the accused, wherever he is hiding.”
The arrest warrant through the Interpol is yet to be issued.
The Criminal Investigation Department has now taken charge of the investigations.
Afroza said she applied to the Home Minister on May 2 to include the case in the monitoring cell for a fair and speedy trail. “But I have not get any result yet,” she said, rage mixed with despondency in her voice.
Prof Harun was killed allegedly by Abdul Latif, alias Kawser, and Rashel Ahmed on March 21 on his way to his rented house near his college. While Abdul Latif, the prime suspect, is still at large, the elite Rapid Action Battalion (RAB) had arrested the co-accused. It was learnt from their interrogation that Latif had killed the professor after he rebuked two female students, Sujina Akhtar Munni and Safia Khatun Lipi (alias Lipi Begum), for their misconduct inside and outside the classroom.
Latif was purportedly enraged by this and stabbed Prof Harun to death.
(Source: The Daily Independent, October
15)
http://theindependentdigital.com/index.php?opt=view&page=3&date=2010-10-15
Subscribe to:
Posts (Atom)
